বাড়িতে আসবেন দম্পতি, তবে মরদেহ

  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবাতে ট্রেন দুর্ঘটনা
  • ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, চাঁদপুর
  • |
  • Font increase
  • Font Decrease

নিহত মজিবুর রহমান ও তার স্ত্রী কুলসুম বেগম। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

নিহত মজিবুর রহমান ও তার স্ত্রী কুলসুম বেগম। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় নিজের বাড়িতে ফেরার কথা ছিল মজিবুর রহমান (৫০) ও তার স্ত্রী কুলসুম বেগম (৪২) দম্পতির। এ জন্য সোমবার (১১ নভেম্বর) রাতে ট্রেনে করে চাঁদপুরে আসছিলেন। কিন্তু পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তারা। তাই জীবিত নয়, মরদেহ হয়ে ফিরছেন এ দম্পতি।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে হাজীগঞ্জ উপজেলায় মজিবুরের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় সবাই মরদেহের জন্য অপেক্ষা করছে। এ ঘটনায় আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী এমনকি পুরো গ্রামে চলছে শোকের মাতম।

বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, নিহত মজিবুর রহমান স্ত্রী ও তিন ছেলেকে নিয়ে সিলেটের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় বসবাস করতেন। সেখানে কসমেটিক পণ্যের ব্যবসা করতেন তিনি। মূলত তার গ্রামের বাড়ি হাজীগঞ্জ উপজেলার ১ নং রাজারগাঁও ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড রাজারগাঁওয়ে।

পারিবারিক সূত্র জানায়, মজিবুর রহমান ও তার স্ত্রী সোমবার (১১ নভেম্বর) রাতে সিলেট থেকে আন্তনগর উদয়ন এক্সপ্রেসে করে লাকসামে আসছিলেন। সেখান থেকে ভিন্ন রুটে চাঁদপুরে আসার কথা ছিল তাদের। কিন্তু পথে ভোররাত ৩টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনে উদয়ন এক্সপ্রেসের সঙ্গে ঢাকাগামী তূর্ণা-নিশীথা এক্সপ্রেস নামের একটি ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। এতে ওই দম্পতি মারা যান।

অপরদিকে এ ঘটনায় চাঁদপুর সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের উত্তর বালিয়া গ্রামের বিল্লাল বেপারির মেয়ে ফারজানা আক্তার (২০) নিহত হয়েছেন। ফারজানা বিবাহিত। এছাড়া আহত হয়েছেন চাঁদপুরের আরও ৭ জন।

উল্লেখ্য, এ ঘটনায় নিহত হন ১৬ জন এবং আহত হন অন্তত শতাধিক লোক।