জনগণকে ভোটের সুযোগ দিলেন না কেন, প্রশ্ন ড. মোশাররফের

  • স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
  • |
  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নাকি সবচেয়ে জনপ্রিয়। এত জনপ্রিয়তা থাকলে জনগণকে কেন ভোট দেওয়ার সুযোগ দিলেন না? আসলে তারা জনগণকে ভোট দিতে দেবেন না, কারণ তারা নিজেরা জানেন যে তারা কত অপ্রিয়।’

শনিবার (২৭ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে জিয়া পরিষদ।

বিজ্ঞাপন

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, 'কয়েকদিন আগে ভাড়া করা এক সংস্থা দিয়ে বলানো হয়েছে যে শেখ হাসিনা নাকি বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জনপ্রিয়। আগেও তাহলে তিনি জনপ্রিয় ছিলেন, এত জনপ্রিয়তা থাকলে জনগণকে কেন ভোট দেওয়ার সুযোগ দিলেন না। জনগণই তো ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনত। তারা ভালো করেই জানেন, জনগণ ভোট দিতে পারলে কী অবস্থা হতো।’

খালেদা জিয়ার কারাবাস সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘তাকে মামলা বা বিচার নয়, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে কারাগারে রাখা হয়েছে। কারণ একটাই, খালেদা জিয়া এদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য আন্দোলন করেছেন। আওয়ামী লীগ জানে খালেদা জিয়া বাইরে থাকলে কোনোভাবেই পুনরায় ক্ষমতায় আসতে পারত না, সেজন্য তাকে জেলে রেখেছে।’

যে কোনো ঘটনাকে গুজব বলা হয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমি জিজ্ঞাসা করতে চাই, কিছু দিন আগে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কাছে যে প্রিয়া সাহা মিথ্যা অভিযোগ করলেন, তিনি কে? এটা কি মিথ্যা কথা। এটা কি কেউ বলতে পারবেন যে প্রিয়া সাহা এটা ট্রামকে বলেননি? এটা কে প্রচার করছে? এটা কি গুজব। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রিয়া সাহা মিথ্যাচার করেছেন। এটা কি গুজব? প্রধানমন্ত্রীর ছেলে জয় তার অফিসিয়াল ফেসবুকে বলেছেন, এটা দেশদ্রোহিতার কাজ এবং মিথ্যা। এটাও কি গুজব? শেয়ার মার্কেট থেকে ২৭ হাজার কোটি টাকা উধাও হয়ে গেছে, পত্র-পত্রিকায় এসেছে। এটা যখন বলবেন, তারা তখন বলবে, বিএনপি গুজব ছড়াচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ডেঙ্গু নিয়ে পত্র-পত্রিকায় লেখা শুরু হলো তখন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও মেয়র সাহেবরা বললেন, এসব কিছু না, সামান্য বিষয় নিয়ে এগুলো অতিরঞ্জিত করে বলা হচ্ছে। কিন্তু প্রথম থেকে যদি এটা গ্রহণ করে প্রতিরোধের ব্যবস্থা করতো, তাহলে এ রকম মহামারী আকার ধারণ করতো না।’

জিয়া পরিষদ সভাপতি কবির মুরাদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. আব্দুল কুদ্দুস, মহাসচিব প্রফেসর ড. মো. এমতাজ হোসেন, যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রবিউল ইসলাম, কল্যাণ পার্টির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শাহিদুর রহমান তামান্না প্রমুখ।